একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে পড়াচ্ছে। যাতে সব কিছু মনে থাকে সে জন্য সে ছাত্রীকে বলেছে প্রতিটি জিনিস দুই বার করে লিখতে। সে শিক্ষক আবার ভদ্র ভাষায় কথা বলে। তাই সে বলেছে:

দুদু বার করে লিখ।

........... বেচারা ভদ্র ভাষায় কথা বলার দায়ে প্রাইভেট হারাইছে।-

**********************************************************
দুই ভাই বাসার পিছনে বসে মাছ ধরছে বড়শি দিয়ে। কিন্তু কেউই মাছ ধরায় এক্সপার্ট না হওয়ায় মাছ বার বার কেচো খেয়ে যায়। তো ছোট ভাই আছে বড়শিতে কেচো লাগানোর দ্বায়িতে। তারা কেউই জানে না ঘরের ভিতর তাদের মা তার দেবরের সাথে চোদাচুদিতে ব্যস্ত। তো বার বার মাছ কেচো খেয়ে যায় আর বড় ভাই ছোট ভাই এর কাছে কেচো চায়: কেচো দে। কেচো দে। কেচোদে। কেচোদে।

ওদের মা ঘরের ভিতর থেকে বের হয়ে এসে বেচারা বড় ভাই এর গালে এক থাপ্পড় কে চোদে তা দিয়ে তোর কি দরকার?
**********************************************************

এরশাদ তখন নতুন নতুন বিয়ে করছে। সে তে বরাবই লুচ্চা। তার মন্ত্রি সাভার সাবাই লুচ্চা। এরশাদ তা জানেও, যেহেতু তারা সব একসাথেই লুচ্চামি করে। তো এরশাদ যাবে বিদেশে সফের। সে জানে যে তার বউএর উপর মন্ত্রি সভার সবাই সুযোগ নিতে পারে। তাই সে এক ব্যাবস্থা করছে। সে একটা পাইপের ভিতরে একটা ব্লেড লাগাইছে, তারপর পাইপটা তার বৌ এর ভোদার ভিতর সেট কইরা দিয়া গেছে।
সফর শেষে সে ফিরা আইসা মন্ত্রি সভার জরুরি বৈঠক ডাকছে। সেখানে সে সবারই ধোন চেক করছে। দেখে যে সবার ধনেরই মাথায় কাটা দাগ, খালি ধর্ম মন্ত্রির ছাড়া। তো এরশাদ খুব চেইতা গেছে। সবাইকেই খুব বকাবকি করছে। তারপর ধর্ম মন্তুইর দিকে তাকায়া বলছে: আমি জানতাম আপনি আমার সবচয়ে বড় বন্ধু। সবাই যাই করুক আপনি কিছুতেই.......... অনেক প্রসংশা করছে। ধর্ম মন্ত্রি শুধুই মাথা নাড়ায়, কিছুই বলেনা।

তো এক মন্ত্রি অন্য জনকে জিজ্ঞাস করছে, ব্যাপার কি, কয়দিন হইলো ঐ ব্যাটা এত চুপচাপ কেন?
"ওর জিব কাটছে"
***************************

এক লোক মারা গেছেন। হুজুর আসছে জানাজা পড়াইতে।
:হুজুর, আমার আব্বা তো মারা যাবার আগে একটা জিনিস খেতে চাইছিল, এখন কি করি?
হুজুর দেখছে ভাল একটা খাওয়া দাওয়া করার এইতো সুযোগ। সে কইছেছ একজন হুজুররে ডাইকা খাওয়ায়ে দিবেন, তাহলেই হবে।
তো সেই খাবার খাওয়ার জন্য পরের দিন হুজুরের ডাক পরেছে। মৌলবী খেতে বসে:

রান্না তো খুব ভাল হইছে। কিন্তু জিনিসটা কি?

তো লোকটা বলছে, আব্বাই কইছিলাম কি খাইবেন আর সে কইছিল 'আমার ধোন খামু। যা এখন ভাগ।'

তো তার ধোনটা কাইটা রাইখা দিছিলাম
***********************************************
মৌলানা নিয়ে আরেকটা:

এক মৌলানা বিয়ে করবে। তার খুবই ইচ্ছা কুমারী বিয়ে করার। তো সে কুমারী খুজে বের করার একটা বুদ্ধি বার করছে। যেই মেয়েকেই দেখতে যায় তাকেই নিজের ধোন দেখায়ে বলে, এইটা কি। যেই বলে ধোন, সে ভাবে এই মেয়ে কুমারী না। তো শেষ পর্যন্তু এক মেয়ে পাইছে যে কইছে এইটা নুনু। সে তাকেই বিয়ে করেছে।

বিয়ের রাতে করার সময় সে আবার জিজ্ঞাস করছে, এইবার বল ওইটা কি?
: ওইটা তো নুনু।
: না এখন আর নুনু বলার দরকার নাই, বল ধোন।
: এহ্। এইটা বলে ধোন। ধোন আরো কত বড় হয়, একদম আরো ভিতরে ঢুইকা যায়।
*********************************************
কোলকাতায় তো সবাইকে দাদা বা সংক্ষেপে দা বলে ডাকা হয়, যেমন অজয়দা, নির্মলদা। এক চাইনিজ লোক এসেছে সেখানে। তার নাম হল বো কাচু।

তো সবাই তাকে কি নামে ডাকে?

বোকাচুদা।
****************************************
এক কাপল এখনও বিয়ে করেনাই। কিন্তু ছেলেটা খুব সেক্স করতে চায়। মেয়েটা কইছে, যদি পেট হয়ে যায়? তো তারা ঠিক করছে যে কনডম ব্যবহার করবে। কিন্তু দুইজনই আনাড়ী হওয়ার কারনে কনডন ভোদার ভিতর ঢুকে গেছে। তখন ছেলেটা একটা পেনসিল দিয়া সেই কনডমটা বের করার চেষ্টা করছে। সেইটা করতে যেয়ে পেনসিলটাও ভোদার ভিতর ডুকে গেছে।

তো মেয়েটার পেট হয়ে গেছে, আর তারা বিয়ে করে ফেলছে। নয় মাস পড়ে মেয়েটার বাচ্চা হবে। তখন বাচ্ছা হওয়ার পর সবাই নার্স কে জিজ্ঞাস করছে কি হইছে? নার্স কইছে পুলিশ হইছে।
: পুলিশ মানে?
: বাচ্চার মাথায় একটা টুপি আর হাতে একটা লাঠি।
****************************************************
:মা, আজকে কি ঈদ?
: না। আজকে ঈদ হবে কেন?
: তাহলে যে ঐ ঘরে ছোটখালা আর আব্বা কোলাকুলি করতেছে?
****************************************************
এক বাদশার অভ্যাস হল ১৬ বছরের কিশোরীদের সাথে রাত কাটানোর। শুধু তাই নয়, প্রতি রাতে তার নতুন নতুন কিশোরী চাই। মন্ত্রির দায়িত্ব হল এই সব মেয়ে জোগার করে দেওয়া। সেই বেচারাই বা এত মেয়ে প্রতিদিন পাবে কোথায়? একদিন অনেক খুজেও সে একটাও ১৬ বছরের কিশোরী পায় নাই।

তাই সে দুইটা আট বছরের মেয়ে নিয়ে এসে বাদশাহে বলছে: একটা ষোল পাওয়া গেলনা, তাই দুইটা আট এনেছি। আটা আর আট এ ষোল হয়ে গেল।
*********************************************
এক বাদশার অভ্যাস হল ১৬ বছরের কিশোরীদের সাথে রাত কাটানোর। শুধু তাই নয়, প্রতি রাতে তার নতুন নতুন কিশোরী চাই। মন্ত্রির দায়িত্ব হল এই সব মেয়ে জোগার করে দেওয়া। সেই বেচারাই বা এত মেয়ে প্রতিদিন পাবে কোথায়? একদিন অনেক খুজেও সে একটাও ১৬ বছরের কিশোরী পায় নাই।

তাই সে দুইটা আট বছরের মেয়ে নিয়ে এসে বাদশাহে বলছে: একটা ষোল পাওয়া গেলনা, তাই দুইটা আট এনেছি। আটা আর আট এ ষোল হয়ে গেল।
*********************************************
এক মেয়ের নতুন বিয়ে হইছে। তো বিয়ের রাইতে দুই বন্ধু যুক্তি করে একজন স্বামীটারে নিয়ে ভুলায়া দুরে নিয়ে গেছে। আর একজন বৌ এর ঘরে ঢুইকা পরছে।
:তুমি কে?
: তুমি আমারে চিনবা না? আমার নাম জামাই।
: তুমি কি চাও?
: তোমার মা আমারে পাঠাইছে তোমারে চোদার জন্য। বিশ্বাষ না হলে তোমার মাকে জিজ্ঞাস কর।


: মা মা, জামাই আমারে চুদতে চায়।
: চুপ ছেমরী আস্তে। যা করতে কয় কর।
*********************************************
মৌলানাদের নিয়ে আরও একটা। তবে এইবার একটু অন্য রকম।

এক মাওনা আর একদল পাঙ্ক একই সাথে ট্রেনে যাচ্ছে। তো এক পাঙ্ক ঠিক করছে মওলানারে একটু বিরক্ত করবে। কি নিয়ে বিরক্ত করা যায় খুজতে যায়ে দেখে যে হুজুরেরর মাত্র সাতটা লম্বা লম্বা দাড়ি থুতনির কাছে। আর একটাও দাড়ি ওঠেনাই।

:হুজুর আমার মনে হয় আপনার মত পরহেজগার লোকের দাড়ি যদি সাথে রাখি তাহলে আমার আর কোন অসুখ হবে না। আমারে একটা দাড়ি দেন।

হুজুরও কিছুতেই দাড়ি দেবে না, সেও ছাড়বে না। এরকম করতে করতে শেষ পর্যন্ত হুজুর কইছে ঠিক আছে, একটু পরে। তো একটু পরে সে সত্যি সত্যি একটা দাড়ি দিয়া দিছে। পোলা তো মহা খুশি। কিন্তু গুইনা দেখে যে হুজুরের দাড়ি সাতটাই আছে।

:একটা দিলেন তারপরও আপনার দাড়ি সাতটা থাকে কেমনে?
: আরে এইটা তো শো রুম। আপনারে গোডাইন থাইকা দিছি।
*********************************************
তিন ট্রাক ড্রাইভার তাদের কার ছেলে কত বদ তাই নিয়া কথা বলছে। বলা বাহুল্য তাদের সাবাই ছেলে আর বৌ নিয়া একই খাটে ঘুমায়।

১ম: আমার ছেলে এত বদ, ওর মাকে চুদতে নিয়া যখনই দুধে চাপ দেই, সে মুখ দিয়া পি পিপ হর্ণ এর শব্দ করে।

২য়: এইডা আর কি। আমি যখনই করতে নেই সে নিজের ধন নিয়া আগে পিছে করে আর কয় ফার্ষ্ট গিয়ার, সেকেন্ড গিয়ার.......

৩য়: এইডা তো ভালই। আমি যেই করতে নেই, পোলা আমার ধোন নিয়া ওর মায়ের ভোদায় ভইরা দিয়া কয়: ওস্তাদ কয় লিটার দিমু?
*********************************************
দুই কুত্তা গ্রামে খাবার কমে যাওয়া শহরে আসছে। এসে একজন গেছে উত্তরে একজন দক্ষিনে। একমাস পর দুইজনের দেখা। উত্তরের জন অনেক মোটাতাজা হয়ে গেছে কিন্তু দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। তো উত্তরের জন দক্ষিনের জনরে কইছে তুমি উত্তরে চলে আস, উত্তরে অনেক খাবার, তুমি অনেক মোটা হয়ে যাবে।
:না
:কেন?
:আমি অপেক্ষায় আছি।
:কিসের অপেক্ষা?
:আছে বলা যাবে না।

একমাস পর আবার তাদের দেখা। এইবার দক্ষিনের জন আরও শুকায়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে উত্তরে যাবে না। শুধু বলে সে অপেক্ষায় আছে।

আরও একমাস পর তাদের আবারও দেখা। দক্ষিনের জনের অবস্থা এইবার মরমর। তো উত্তরের জন কইছে হয় এইবার তুমি আমার সাথে আসবা না হয় কইবা তুমি কিসের অপেক্ষায় আছো।
: তাইলে শুনো। ঐ যে সাদা বাড়িটা দেখ। ঐখানে একটা নতুন বৌ আসছে। সে রান্না খুব একটা পারেনা। একদিন তরকারিতে লবন বেশী দিয়া ফেলছিল। তখন জামাইডা কইছে আর একদিন যদি তরকারিতে লবন বেশী হয় তরে আমি কুত্তা দিয়া চোদামু। আমি অপেক্ষায় আছি আবার কবে তরকারিতে লবন বেশী হবে।
*********************************************
প্রমিকার বিয়ে হয়ে যাবে। সে এসেছে শেষ বারের জন্য প্রমিকের সাথে দেখা করতে। তো প্রেমিক বলছে, তোমার তো বিয়েই হয়ে যাবে, তার আগে তোমাকে আমি আদর করতে চাই। তো প্রমিকা রাজী হইছে। প্রমিক বলছে, তোমাকে তো মাত্র একদিনই আদর করতে পারবো, তো একটা ব্যবস্থা করি যেন অনেকবার আদর করা যায়। আমার কাছে একটা কবিরাজি ঔষধ আছে। আমি সেইটা খাই। প্রেমিকা কইছে ঠিক আছে। তো প্রমিক, নাম হইলো আবুল, লাইট নিভায়ে দিয়ে আদর করা শুরু করছে।

একবার, দুইবার, তিনবার........ আদর করতেছে তো করতেছেই। অনেকক্ষন পর প্রেমিকা কয়, আবুল আর কত আদর করবে, আমারতো ব্যাথা করতেছে?

:আবুল কে? ও বুঝেছি যেই লোকটা বাইরে টিকিট বিক্রি করতেছে।

*********************************************
তিন ট্রাক ড্রাইভার তাদের কার ছেলে কত বদ তাই নিয়া কথা বলছে। বলা বাহুল্য তাদের সাবাই ছেলে আর বৌ নিয়া একই খাটে ঘুমায়।

১ম: আমার ছেলে এত বদ, ওর মাকে চুদতে নিয়া যখনই দুধে চাপ দেই, সে মুখ দিয়া পি পিপ হর্ণ এর শব্দ করে।

২য়: এইডা আর কি। আমি যখনই করতে নেই সে নিজের ধন নিয়া আগে পিছে করে আর কয় ফার্ষ্ট গিয়ার, সেকেন্ড গিয়ার.......

৩য়: এইডা তো ভালই। আমি যেই করতে নেই, পোলা আমার ধোন নিয়া ওর মায়ের ভোদায় ভইরা দিয়া কয়: ওস্তাদ কয় লিটার দিমু?
*********************************************
কোলকাতায় তো সবাইকে দাদা বা সংক্ষেপে দা বলে ডাকা হয়, যেমন অজয়দা, নির্মলদা। এক চাইনিজ লোক এসেছে সেখানে। তার নাম হল বো কাচু।

তো সবাই তাকে কি নামে ডাকে?

বোকাচুদা।
*********************************************
আমি: এক শহরে হঠাৎ করে লোকসংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। শহরেরর পতিতালয়ে যে কয়জন পতিতা আছে তারা আর খদ্দের সামলাতে পারছেনা। তো ম্যাডাম ঠিক করছে সে তিনজন নতুন পতিতা নিয়োগ করবে। তার জন্য সে বিজ্ঞাপন দিয়েছে। তার জন্য দশজন আবেদন করছে। তো ম্যাডাম ঠিক করছে সে পরিক্ষা নিবে তিনজন বাছাই করার জন্য। সে সবাইকে উলঙ্গ হতে বলেছে। তারপর প্রথম জনকে ঘুড়ে দাড়াতে বলেছে। তারপর তার পাছার ভিতর একটা চিকন বেগুন ঢুকায়ে দিয়ে বলছে, এইটা কি ঢুকাইছি। মেয়েটা বলছে বেগুন। তো ম্যাডাম বলছে তুমি পাশ করছো।
তারপরেরর জনের পাছার ভিতর ঢুকাইছে মুলা, আর জিজ্ঞাস করছে কি ঢুকাইছে। সে কইছে মুলা। ম্যাডাম বলছে, তুমি পাশ।
তারপরের জনের পাছায় ঢুকাইছে..
ঐ যে মুলার মতই কিন্তু হলুদ রংয়ের, নামটা যেন কি...
সুমি: গাজর।
আমি: তুমি পাশ করছো।

*********************************************
একদিন এক পথিক পিপাসায় অস্থির হয়ে এক বাসায় যেয়ে এক পিচ্চির কাছে পানি খেতে চাইল। পিচ্চি তাকে দুধ এনে দিল। পথিক তো মহা খুশি। মেঘ না চাইতে জলের মত যেন জল চাইতে-না-চাইতেই দুধ!

পথিক দুধ খাচ্ছে, এ-সময় পিচ্চি বলে উঠল, “কুত্তায় খাওয়া দুধ খাইতে কেমুন লাগে??”

লোকটি রাগে বাটি-টা আছাড় মেরে ফেলে দিল। তখন পিচ্চি চেঁচিয়ে বলে, “নানী, এক রাস্তার ব্যাডা তুমার প্যাশাবের হাঁড়ি আসার দিয়া ভাইঙ্গা হালাইছে!”

বুঝুন পথিকের মনের অবস্থা!

*********************************************
একলোক এক রাজনৈতিক সভায় বক্তিতা দিচ্ছে। কিছুক্ষন পর একলোক এসে নেতার কানে আংগুল দিয়া ঘুটা দিয়া গেছে। নেতা মনে করছে তার ভক্ত, তো সে খুশি হইছে। সেই লোক এক মিনিট পর আমার এসে একই কাজ করছে। তো নেতা বলছে আমি খুশি হইছি, আর আশার দরকার নাই। কিন্তু লোকটা প্রতি মিনিটেই একবার করে আসে আর কানের ভিতর আংগুল দিয়া ঘুটা দেয়। সবাইতো হাসা শুরু করছে। তো নেতা গেছে চেইতা। সে তার চেলাদের কইছে। অরে ধইরা নিয়া গিয়া পাছা মার। চেলারা তাই করতে গেছে। একটু পর এক চেলা দৌড়ায়ে আসছে। কয় স্যার ওর পাছার ফুটা নাই।
নেতা অবাক হয়ে দেখতে গেছে।
: ঐ তোর পাছার ফুটা নাই কেন?
: আমি তো এই পৃথিবীর মানুষ না। আমি মঙ্গল গ্রহ থেকে এসেছি।
: তা তোদের গ্রহের লোকেরা পাছা মারেনা?
:মারে।
: কেমনে, তোদের তো পাছায় ফুটা নাই।
: এমনে (বইলা আবার আঙুল দিয়া নেতার কানে ঘুটা দিয়া দিছে।
*********************************************
আবুল মিয়ার সাথা পাশের বাসার মিতা ভাবীর যৌন সম্পর্ক আছে। আবুল তারে একটা বিদেশী ব্রা গিফট করছে। তার সাতদিন পর:

আবুল:তোমাকে যে বিদেশী ব্রাটা দিছিলাম সেইটা দিয়া কি করছো?
মিতা: সেটা তো রফিক নিয়া গেছে আমার কাছে থাকে।
আ: তার মানে তুমি রফিকের সাথেও চোদাচুদি কর।
মি: তো তোমার কি ধারনা শুধু তোমার সাথেই।
আ: যাই হোক, রফিক সেটা দিয়া কি করছে।
মি: রফিকের সাথে আবার আইরিনের প্রেম। সে আইরিনকে গিফ্ট করছে।
আ: আইরিন সেটা দিয়া কি করছে?
মি: তা তো জানিনা। কেন, কি দরকার তোমার তা দিয়া
আ: খুব দরকার। আজ আমার বৌ দেখি সেই ব্রাটা পইরা আছে।

*********************************************
একটা ফোন বুথের সাথে এক ছেলে লিখে রাখছে: বিড়াল হইতে সাবধান দুধ খাবে কিন্তু।
এক মেয়ে সেটা দেখে উত্তর লিখছে: বানর হইতে সাবধান, কলা খাবে কিন্তু।
*********************************************
ছোট বোন নতুন প্রমে করতেছে, এখন ডেটিংএ যাবে। তো বড় বোন শেখায়ে দিয়েছে, যত ভাল ছেলেই হোক দেখবি শুধু সেক্স করতে চাইবে। তবে একটা বুদ্ধি বলে দেই, তাহলে আর কোন অসুবিধা হবে না। যখনই দেখনি তোর পায়জামা খোলার চেষ্টা করতেছে, বলবি, যদি আমাদের একটা বাবু হয় তাহলে কি নাম রাখবে? দেখবে ছেলেটা আর আগাবে না।

তো মেয়েটা এই কথা কয়েকবার বলেছে। সত্যি সত্যি ছেলেটা আর আগায় নাই।

তারপর একদিন, ছেলেটা যাই আদর করতে শুরু করেছে...
"আমাদের বাবু হলে কি নাম রাখবে?...."
ছেলেটা পকেট থেক একটা কনডম বের করে দেখায়া বলছে যদি এর ভিতর থেকে ও বের হতে পারে....

*********************************************
এক সৈনিক অনেকদিন পর বাড়ি এসেছে। এসে শুনে যে তার বৌ টাকার বিনিময়ে তার এক বন্ধুকে দেহ দান করেছে।

শুনে সে বলেছে: আমার বন্ধুটা আসলেই একটা বোকা। আমি জীবনেও আমার বৌকে এই কাজের জন্য পয়সা দেই নাই।
*********************************************
গ্রামের এক লোক একই সিনেমা দশ বার দেখেছে। তো তার বন্ধু জানতে চেয়েছে, কিরে ছবিটা এত ভাল?
:খুব একটা ভাল না।
:তাইলে এতবার কেন দেখলি?
: এক জায়গায় নায়িকা নদীর ধারে কাপড় খোলা শুরু করে গোছল করার জন্য। যেই ব্লাউটা খুলবে তখনই একটা ট্রেন চলে আসে আর নায়িকাকে দেখা যায় না। তো আমি বার বার সুযোগ নিতেছি, ট্রেনটা তো একবার না একবার দেরী করে আসবেই।
*********************************************

*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
*********************************************
******************************************